রাউজান নিউজ

পথ ঘাট থেকে ফাঁদে আটকে ধরে নিচ্ছে কুকুর তবুও অাতংকে রাউজানের শিশু কিশোররা

অামির হামজা (রাউজান নিউজ)ঃ

পথ ঘাট থেকে ফাঁদে আটকে ধরে নিচ্ছে কুকুর তবুও অাতংকে রাউজানের শিশু কিশোররা? রাউজানে বেওয়ারিশ পুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। কুকুর আতংকে এলাকার শিশু কিশোররা ঘর থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছে। গত প্রায় ১৫ দিনে কুকুরের কামড়ে উপজেলার বিভিন্নস্থানে আহত হয়েছে প্রায় ২০জন। তাদের মধ্যে কয়েকজন হচ্ছে অারব, সিহাব, নাদিয়া, অাবদুলা, শাহিদ, সনিয়া, ইমন, কামালসহ বেশ কিছু মানুষকে অাহত করছেন, গত সোমবার একজন স্কুলের শিক্ষকে অাহত করা পর অারো অসংখ্যা গরু, ছাগল, অাহত হয়েছে। পরে স্থানীয়া গ্রাম-বাসীর সহযোগিতায় কুকুর মেরে ফেলা হয়। এর পরও এলাকার মানুষ অাতংক নিয়ে চলাচল করছেন, এদিকে আহতরা বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা নিচ্ছে।

এদিকে কিছু উপজাতি যুবক বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে প্রায় প্রতিদিন গ্রামীণ বিভিন্ন জনপদ থেকে বেওয়ারিশ পুকুর ধরে নিচ্ছে। পথঘাট থেকে ফাঁদ পেতে ধরা এসব কুকুর তারা পিকআপে উঠিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে নিয়ে যাচ্ছে। রাউজানের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে স্থানীয় জনসাধারণ জানিয়েছে কুকুর শিকারীরা কয়েকটি দলে বিভিন্ন হয়ে পিকআপ নিয়ে ঘুরে। রাস্তাঘাটে কুকুর দেখলে বাঁশ রশি দিয়ে তৈরী করা ফাঁদ হাতে গাড়ী থেকে নেমে আটকিয়ে নিয়ে যায়।

স্থানীয়দের মতে রাউজান থেকে গত কয়েক মাসে কয়েক’শ পুকুর ধরে নেয়া হয়েছে। এখনো এখানে তৎপর আছে কুকুর শিকারীরা। প্রতিনিয়ত কুকুর শিকারীদের তৎপরতা দেখে এলাকার মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে পথঘাট থেকে ধরে নেয়া এসব কুকুর কোথায়-কি উদ্দেশ্যে নেয়া হচ্ছে।

এলাকার লোকজন বলেছেন, কুকুর শিকারী উপজাতি যুবকদের কাছে ওসব প্রশ্নের উত্তর চেয়ে সঠিত তথ্য কেউ জানতে পাচ্ছে না। কুকুর কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে শিকারীর দল থেকে শুধু উত্তর পাওয়া যায় ওসব কুকুরের মাংস খাবে। এদিকে বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর নিয়ে জানা গেছে, গ্রামীণ জনপদ থেকে বেওয়ারিশ কুকুর গুলো ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে পার্ব্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির দিকে। এই কুকুর পাচার করা হয় আমাদের পার্ব্বত্য জেলার সমূহের সাথে সংযুক্ত ভারতের রাজ্য সমূহে। সূত্র মতে কুকুর পাচারের সাথে কাজে জড়িত রয়েছে একাধিক চক্র। পাচারকারীরা কুকুর ধরার কাজে চুক্তিতে ব্যবহার করা হচ্ছে উপজাতি যুবকদের।

সূত্র মতে ভারতের একটি আধিবাসী জনগোষ্ঠির কাছে কুকুরের মাংস প্রিয় খাবার। তবে কোনো কোনো ব্যক্তির সন্দেহ রয়েছে কুকুরের মাংস হোটেল রেস্তোঁরায় সরবরাহ দেয়া নিয়েও। সন্দেহ পোষণকারীদের মতে দেশের কতিপয় হোটেল রেস্তোঁরায় কুকুরের মাংস পাওয়ার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে আগেও প্রকাশ পেয়েছে। এলাকার সচেতন মহল মনে করেন আইন শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা সমূহ এই নিয়ে তদন্ত করা উচিত। তা না হলে কুকুর ধরা নিয়ে মানুষের মনে বিভিন্ন মুখি সন্দেহের ঢালপালা বিস্তার করবে।