রাউজান নিউজ

স্বপ্ন বিজীয় ফজলে করিম চৌধুরী এমপি’র আরো একটি নতুন রেকর্ড ঃ উপজেলা জুড়ে একই দিনে লক্ষাধিক মানুষের মেজবান আয়োজন

মীর আসলাম(রাউজাননিউজ) :

তিনি স্বপ্ন দেখেন। ঘুমের ঘোরে নয়। তিনি কল্পনা করেন। তবে এলোমেলো চিন্তা আর উদাস মনে নয়। তার দেখা স্বপ্ন খোলা দুই নয়নে একান্ত মনে। তার সব কল্পনাতে থাকে স্বপ্নের সাথে মিল রেখে নতুন কিছু সৃষ্টির। স্বপ্ন থেকে সৃষ্টি করার এই ওই মানুষটির নাম এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। তার সৃষ্টিতে মানুষ বিষ্মিত হয়। উল্লাসিত হয়ে বাহবা দেয়। তার নীতি আদর্শ ও কর্মকাণ্ডের জন্য রাউজানের মানুষ এই রাজনীতিকের নামের আগে যোগ করে দিয়েছেন উন্নয়নের রূপকার। তিনি বিগত দুই দশকের বেশি সময় ধরে নিজের মেধা প্রজ্ঞায় কাজ করে রাউজানে সৃষ্টি করেছেন দেশের মধ্যে অন্যন্য সব নজীর।

শান্তি,সমৃদ্ধিসহ জনকল্যাণে ব্যতিক্রমী সব কাজ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন দেশ বিদেশের সুধি সমাজে। নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করে চমকে দিয়েছেন বাঘা বাঘা রাজনীতিককে। রাজনীতিতে নেমে রাজনীতিকরা আগে যা পারেনি তা করে দেখিয়ে দিয়ে তিনি রেকর্ড সৃষ্টি করেছেন। রচনা করেছেন ইতিহাস। তার ব্যতিক্রম ধর্মী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে একঘন্টায় চার লাখ ৮৭ হাজার গাছের চারা রোপন। চারদিন একটানা পায়ে হেঁটে রাউজানের গ্রামে গ্রামে গিয়ে মানুষের সাথে কথা । প্রতিদিন ৩২ হাজার শিশু শিক্ষার্থীকে দুপুরে স্কুল ফিডিং দেয়া। বিগত সময়ে জাতীর জনকের শাহাদৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান থেকে নিজের শরীরসহ রাউজানবাসীর কাছ থেকে ১৪ মন রক্ত সংগ্রহ করে সন্ধানীর রক্ত ভাণ্ডারে হস্তান্তর, অসহায় রোগাক্রান্ত মানুষের জীবন রক্ষায় নিজ তহবিল থেকে অর্থ সহায়তা। ৩শ টন ত্রান সামগ্রী নিয়ে বার্মা থেকে বিতারিত ও নির্যাতিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠিকে নিজ হাতে ক্যাম্পে গিয়ে বিতরণ করা। প্রতি বছর ক্যান্সার ও কিডনী রোগীদের চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা দেয়া।


এবার তার ব্যাতিক্রমী এসব কর্মসূচির সাথে যোগ করেছেন সমগ্র রাউজানে এক দিনে ১৫টি স্পটে বসিয়ে লক্ষাধিক মানুষকে দুপুরের খাওয়ার দেয়ার আয়োজন। তিনি ১৫ আগস্টের এই মেজবান আয়োজন করেছিলেন জাতীর জনকের শাহাদৎ বার্ষিকী পালনের কর্মসূচির অংশ হিসাবে। এদিনে তিনি এক শত ক্যান্সার ও কিডনী রোগীর চিকিৎসার জন্য সহায়তা দিয়েছেন ১০ হাজার টাকা করে মোট ১০ লক্ষ টাকা। এই টাকা দিচ্ছেন তিনি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে।

এদিন এই রাজনীতিক দিনের কর্মসূচি শুরু করে জাতির জনকের ম্যুরেলে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে। তিনি রাউজানে প্রবেশ করেন সকাল সাতটায় কাপ্তাই সড়ক পথে। প্রথমে আসেন উরকিরচর ইউনিয়নে। এখানে তাকে স্বাগত জানান চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুল জব্বার সোহেল। এরপর তিনি নোয়াপাড়া, বাগোয়ান,পাহাড়তলী, কদলপুর, রাউজান ইউনিয়ন হয়ে পূর্বগুজরা পশ্চিম গুজরা, বিনাজুরী ইউনিয়নের কর্মসূচিতে যোগদেন। সেখান থেকে আসেন রাউজান কলেজ মাঠে।

এখানে তিনি দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। পৌরসভার আয়োজনে রক্ত সংগ্রহন অনুষ্ঠান ও মেজবান অনুষ্ঠান ঘুরে দেখেন। এখান থেকে তিনি যান ডাবুয়া, হলদিয়া, চিকদাইর, গহিরা ইউনিয়ন হয়ে নোয়াজিশপুর অনুষ্ঠান যোগ দেন। আবার ফিরে আসেন রাউজান কলেজ অনুষ্ঠানে। এদিনের কর্মসূচিতে সারা রাউজানে লক্ষাধিক মানুষ মেজবানের খাবার খান। এক হাজার পরিবারকে দেয়া হয় দশ কেজি করে চাল।

সাংসদের সাথে ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এহেছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল,ইউএনও শামীম হোসেন রেজা, এসি ল্যাণ্ড জোনায়েদ কবির সোহাগ, উপজেলা আওয়ামীলীগে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল উদ্দিন আহমদ,ওসি কেপায়েত উল্লাহ, ভাইস চেয়ারম্যান ফৌজিয়া খানম, আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক পৌরসভার প্যানেল মেয়র বশির উদ্দিন খান, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ,আওয়ামীলীগ নেতা আবদুল লতিফ, হাজী সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা,যুবলীগ নেতা আহসান হাবিব চৌধুরী, তপন দে,আবু ছালেক, দিপলু দে, অনুপ চক্রবর্তী,জিল্লুর রহমান মাসুদ, সাখাওয়াত হোসেন পিকলু, মোহাম্মদ আসিফ প্রমূখ। স্বপ্ন বিজয়ী এই মানুষটি আগামী দিনে মানুষের কল্যাণে আরো কি নতুন কর্মসূচির চমক নিয়ে আসছেন সেই দিনক্ষণের অপেক্ষায় এখন রাউজানের সাধারণ মানুষ।
১৫ আগস্ট এর এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন পৌরসভার কাউন্সিলরগণও।