রাউজান নিউজ

শহীদে মিল্লাত আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী (রহ:)’র হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

শহীদে মিল্লাত আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী (রহ:)’র হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে যুবসেনা ও ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার মানববন্ধন।বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদে মিল্লাত আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী (রহ.) ইসলামের মূলধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সঠিক রূপরেখা গণমানুষের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে রেডিও-টেলিভিশন, চ্যানেল আই, মাই টিভিসহ সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন চ্যানেলে সুদীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। বিশেষত তাঁর সুনিপুণ উপস্থাপনায় চ্যানেল আই’র ‘কাফেলা’ অনুষ্ঠানের সচিত্র উপস্থাপনা ছিল জনপ্রিয়তার তুঙ্গে। তিনি এ দেশের অসংখ্য ওলামা-মাশায়েখ, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষক-ছাত্র ও তরীক্বতপন্থী সর্বস্তরের সুন্নী মুসলমানদের নিকট ছিলেন অতি পরিচিত ও সম্মানিত। সুফি তাত্ত্বিক চিন্তাধারা ও সুন্নীয়তভিত্তিক দর্শন প্রচারে তিনি ছিলেন আপোষহীন। খোদদ্রোহী, ইসলাম বিদ্বেষী, কুরআন-সুন্নাহর অপব্যাখ্যাকারী, মাযহাবের সম্মানিত মুজতাহিদ ইমামগণ ও আউলিয়ায়ে কেরামের আদর্শ ও চেতনা বিরোধী মুনাফিক চক্রের স্বরূপ উন্মোচনে তিনি ছিলেন নির্ভিক ও সোচ্চার কন্ঠ। মিডিয়া জগতে তাঁর বলিষ্ঠ পদচারণা ইয়াজিদের প্রেতাত্মারা কখনো সহ্য করতে পারেনি। তাঁর কন্ঠরোধ করার লক্ষ্যে বাতিল চক্র জীবদ্দশায় তাঁকে বহুবার প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছি দল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ আগষ্ট, ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে রসূলবিদ্বেষী জঙ্গী মতবাদে বিশ্বাসী কিছু ব্যক্তির প্রেসক্রিপশনে আল্লামা শায়খ নুরুল ইসলাম ফারুকী (র) কে শহীদ করা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, আদর্শিকভাবে পরাস্ত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীই আল্লামা ফারুকী হত্যার জন্য দায়ী। বাংলাদেশ ইসলাম ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শহীদ আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী (রহ.)’র হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আজ ২৬ আগস্ট, ২০১৮ইং ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। জেলা যুবসেনার সভাপতি মাস্টার ইসমাইল হোসেন এর সভাপতিত্ব¡ এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ আল্লামা তৈয়্যব আলী। উদ্বোধক ছিলেন আঞ্জুমানে খোদ্দামূল মুসলেমিন ইউ.এ.ই এর নির্বাহী সদস্য জননেতা আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান হাবিবী। প্রধান বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সভাপতি এইচ এম শহীদুল্লাহ। বিশেষ বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দিদারুল ইসলাম কাদেরী, ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদ। জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী ও জেলা যুবসেনার সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমানের যৌথ সঞ্চালনায় উক্ত মানববন্ধনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় পরিষদের প্রচার সচিব জননেতা রেজাউল করিম তালুকদার,  মাওলানা ইয়াছিন হোসাইন হায়দারী, অধ্যাপক সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, যুবনেতা সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, শামসুল আলম নঈমী, সেলিম উদ্দিন, সোলায়মান, এ.টি.এম নাসিম, মীর হাবিব উল্লাহ, আজিম উদ্দিন জনি, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, মুহাম্মদ আবু জাবের, আবু মুছা, ফরিদুল আলম, তারেক আলম, মুজাহিদ, মুহাম্মদ শহীদ, মুহাম্মদ সাখাওয়াত, ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম, মুফিজুর রহমান, আলমগীর হোসেন. এ কে এম আজাদ রানা, মনির আহমদ, শফিউল আলম, রবিউল ইসলাম সুমন, মোশারফ হোসেন, জয়নাল আবেদীন জাবেদ, আবদুল্লাহ আল ফারুক, মুহাম্মদ সোহেল তালুকদার, এস এম শামসুল আরেফীন, এনামুল হক মুন্না, ইসমাইল প্রমুখ। পরিশেষে জামালখান প্রেসক্লাব চত্ত্বর হতে আন্দরকিল্লা মোড় পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।