রাউজান নিউজ

রাঙ্গুনিয়ার শাকিল দেখতে চেয়েছিলেন কে তাঁর জন্য কান্না করে | রাউজান নিউজ

রাউজান নিউজ ডেস্কঃ

রাঙ্গুনিয়া শাকিল দেখতে চেয়েছিলেন কে তাঁর জন্য কান্না করে! ‘বড় ইচ্ছে করে যদি মরে গিয়ে দেখতে পারতাম কে আমার জন্য কান্না করে’—গত ১৩ জুলাই ফেসবুকে এমনই একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন মো. শাকিল খান। এই স্ট্যাটাসই এখন কাঁদাচ্ছে স্বজন ও বন্ধুদের।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনার কদমতলি ইউনিয়নের হাবিবের গোট্টা এলাকায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে স্থানীয়ভাবে পরিচিত চাঁদের গাড়ি (জিপ) ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত হন মো. শাকিল। ওই ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ চার জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শাকিল (১৯) উপজেলার হোছনাবাদ ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে। চার ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। তাঁর বাবা ও অপর তিন ভাই মধ্যপ্রাচ্যে থাকেন।

শাকিলের মৃত্যুতে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ফেসবুকে তাঁর লেখা স্ট্যাটাসের নিচে বন্ধুরাও জানাচ্ছেন শোক। শাকিলের বন্ধু কাউসার আলম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ভালো থাকিস বন্ধু পরপারে! ৪৫ মিনিট আগেও তোর সঙ্গে দেখা হয়, নানা কথা বলেছিলি, তোর জন্য শুধু আমি না সব বন্ধু অঝোরে কান্না করছে, তোর মৃত্যু কিছুতেই মানতে পারছি না।’
শাকিলের দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাস। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল রাত নয়টার দিকে চন্দ্রঘোনা কদমতলি ইউনিয়নের হাবিবের গোট্টা এলাকায় চাঁদের গাড়ি ও যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। প্রচণ্ড ধাক্কায় অটোরিকশাটি সড়কের পাশের খাদে গিয়ে পড়ে। ঘটনার পরই চাঁদের গাড়ির চালক ও চালকের সহকারী গাড়ি রেখে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ পাঁচজনকে গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শাকিলকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ মুহাম্মদ আহসানুল কাদের ভূঞা বলেন, ‘দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

প্রথম অালো থেকে