রাউজান নিউজ

কাপ্তাই লেকের পানির সাথে জোয়ার রাউজানে আবারো বন্যা পরিস্থিতি

মীর আসলাম (রাউজাননিউজ)ঃ

কাপ্তাই লেক থেকে ছেড়ে দেয়া পানি কর্নফুলী হয়ে এসে পড়ছে হালদা নদীতে। বর্ধিত এই পানির সাথে যোগ হচ্ছে সারা দিনের বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি। ত্রীমূখি এই পানির চাপে ২৪ জুলাই রাউজানের দক্ষিাণাংশের ইউনিয়ন সমূহের রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ী ডুবেছে। নদী থেকে উপচে পড়া পানি বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উপর দিয়ে গড়িয়ে পড়ায় রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। কৃষকদের তৈরী করা বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে। স্থানীয়রা বলেছেন হালদা পাড়ের ইউনিয়ন উরকিরচর, বিনাজুরী, গহিরা, নোয়াপাড়া, পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের অনেক গ্রাম বন্যা কবলিত। উরকিরচরের ইউনিয়নের উরকিরচর, মঈশকরম, পূর্ব উরকিরচর, শেখ পাড়া, আবুরখীল, খলিফারঘোনা, মিরাপাড়া, হারপাড়া, নোয়াপাড়া ইউনিয়নের কচুখাইন, মোকামী পাড়া, সাকরদা, পশ্চিম নোয়াপাড়া, পূর্ব নোয়াপাড়া, ঝিকুটি পাড়া, সামমহালদার পাড়া, বাগোয়ান, পশ্চিম গুজরার মগদাই, ডোমখালী, আজীমের ঘাট, কাগতিয়া, রূপচান্দনগর, বিনাজুরীর পশ্চিম বিনাজুরী, কাগতিয়া বাজার, লেলাংগরা, গহিরার পশ্চিম গহিরা, মোবারকখীল এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এলাকার লোকজন বলেছেন বর্ষণ ও কাপ্তাই থেকে আসা পানির চাপ অব্যাহত থাকলে অবস্থার আরো অবনতি হবে। এদিকে উপজেলার উত্তারাংশের সর্তা ও ডাবুয়া খাল হয়ে তীব্র স্রোতে পানি নামতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে এই পানির চাপে নিচু এলাকা ডুবে গেছে। হলদিয়া, ডাবুয়া, চিকদাইর, রাউজান, গহিরা, নোয়াজিশপুর,কদলপুরসহ পৌর এলাকার অনেক রাস্তাঘাটে পানি গড়াচ্ছে। অধিকাংশ বীজতলা তলিয়ে গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হোসেন রেজা বলেছেন পরিস্থিতির দিকে তিনি নজর রাখছেন। এব্যাপারে জনপ্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বে সৃষ্ট বন্যায় রাউজানের রাস্তাঘাট ছিন্ন ভিন্ন হয়ে পড়েছিল। এসব রাস্তাঘাট জরুরী ভিত্তিতে চলাচল উপযোগি করা হয়েছে। ঐ বন্যায় এই উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল প্রায় দুই’শ কোটি টাকা।