রাউজান নিউজ

কিশোর ইয়াছিন অবশেষে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চলে গেলেন না ফেরার দেশে

আমির হামজা (রাউজান নিউজ) ঃ
দীর্ঘ ১৬ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে মৃত্যু কাছে হার মনেছে গশ্চি উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ইয়াছিন আশরাফ জিল্লু (১৪) (ইন্না…… রাজেউন)। ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর একটি হাসপাতের তার মৃত্যু হয়। ইয়াছিনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। দলে দলে সহপাঠরা তার নানার বাড়ী গশ্চি মোহাম্মদ জামান তালুকাদার বাড়ীতে ভীর করেছ। ৩০ এপ্রিল রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ইয়াছিনের নানার বাড়ীতে তার জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে পারিবারিক সুত্রে জানা যায়।

ইয়াছিনের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন গশ্চি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদ এর সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার পাশা, প্রধান শিক্ষক মোঃ হানিফ।

উল্লেখ গত ১৪ এপ্রিল ক্রিকেট খেলা নিয়ে সহপাটিদের সাথে ভুলবুঝাবুঝির সৃষ্টি হলে এক পর্যায়ে মারামারিতে রূপনেয়। তা মাঠে মিমাংশা হলেও প্রতিবেশী ইমন এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে খেলা শেষে সন্ধ্যায় ইয়াছিনকে রাস্তায় আটকায়। তার হাতে করে নিয়ে আসা ক্রিকেট ষ্ট্যাম্প দিয়ে ইয়াছিনের মাথায় আঘাত করলে ইয়াছিন মাটিতে লুঠে পড়ে। এলাকার লোকজন ঘটনাটি দেখে গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইয়াছিনের মাথায় অস্ত্রপাচার করাহয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে লাইফ সার্পোটে রাখা হয়। দীর্ঘ ১৬ দিন লাইফ সার্পোটে মৃত্যু সাথে পাঞ্জা লড়ে আজ ৩০ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইয়াছিন কদলপুর ইউনিয়নের হাদ্দাল্লাপাড়া গ্রামের প্রবাসী মোহরম আলীর পুত্র ২য় পুত্র। পুত্রের আহত হওয়ার খবরে তিনি প্রবাস থেকে ১৭ এপ্রিল দেশে চলে আসেন।

আক্রমনকারী ইমন (১৭) গশ্চি মোহাম্মদ জামান তালুকদার বাড়ীর প্রবাসী মোহাম্মদ ইউনুচের পুত্র ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার আনোয়ার হোসেনের ভাতিজা। এই ঘটনা নিয়ে প্রিন্ট ও অনলাইল সংবাদমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় উঠে।